Home / Blog / সমাজে প্রচলিত কতিপয় ঈমান বিধ্বংসী ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কুসংস্কার

সমাজে প্রচলিত কতিপয় ঈমান বিধ্বংসী ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কুসংস্কার

সমাজে প্রচলিত কতিপয় ঈমান বিধ্বংসী ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কুসংস্কার

আমাদের দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বহু রকমের ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কুসংস্কার প্রচলিত আছে। মানুষ প্রতিনিয়ত কথায় ও কাজে সেসবের ব্যবহার ও বাস্তবায়ন করে থাকে। সেগুলোর মধ্যে অনেক বিষয় এমন আছে, যা বিশ্বাস করা ঈমানের জন্য মারাত্মক হুমকি। আর কিছু আছে সুস্পষ্ট শিরক এবং নিরেট মূর্খতা। এছাড়া অনেকগুলো তো এমন, যা সাধারণ জ্ঞান ও বিবেক বিরোধী এবং রীতিমত হাস্যকরও বটে। মূলত বাজারে ‘কি করিলে কি হয়’ মার্কা কিছু চটি বই এসবের সরবরাহকারী। অশিক্ষিত কিছু মানুষ অন্ধ বিশ্বাসে এগুলোকে লালন করে। তাই এ ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরী। সমাজে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অসংখ্য ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কুসংস্কার থেকে এখানে কয়েকটি উল্লেখ করা হলো।

১. মৃত বুযুর্গদের রূহ দুনিয়াতে ঘুরে এবং বিভিন্ন প্রয়োজন মিটায়।
২. বিপদাপদের সম্মুখীন হলে বলা, কার মুখ দেখে যে বের হয়েছিলাম!
৩. দোকানের প্রথম কাস্টমার ফেরত দিতে নাই।
৪. নতুন বউকে শ্বশুর বাড়িতে নরম স্থানে বসতে দিলে তার মেজাজ নরম থাকে।
৫. বিড়াল মারলে আড়াই কেজি লবণ ‘সদকা’ করতে হয়।
৬. ওষুধ খাওয়ার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বললে রোগ বেড়ে যায়।
৭. জোড়া কলা খেলে জমজ সন্তান জন্ম নেয়।
৮. রাতে নখ, চুল, দাড়ি-গোঁফ ইত্যাদি কাটতে নাই।
৯. চোখে কোনো গুটি হলে ছোট বাচ্চাদের নুনু লাগালে সুস্থ হয়ে যাবে।
১০. ভাই-বোন মিলে মুরগি জবাই করা যায় না।
১১. ঘরের ময়লা পানি রাতে বাইরে ফেলতে নেই, তাতে সংসারে অমঙ্গল হয়।
১২. ঘর থেকে কোনো উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর পেছন থেকে কেউ ডাক দিলে যাত্রা অশুভ হয়।
১৩. ব্যাঙ ডাকলে বৃষ্টি হবে।
১৪. কুরআন শরীফ হাত থেকে পড়ে গেলে আড়াই কেজি চাল ‘সদকা’ করতে হয়, না হলে মাথার চুল উঠে যায়।
১৫. ছোট বাচ্চাদের দাঁত পড়লে তা ইঁদুরের গর্তে ফেলতে হয় এবং ইঁদুরের কাছে চিকন দাঁত চাইতে হয়, না হলে দাঁত আঁকাবাঁকা হয়।
১৬. মুরগির মাথা খেলে মা-বাবার মৃত্যুর সময় কাছে থাকার সুযোগ হয় না।
১৭. ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পেছন দিকে ফিরে তাকানো নিষেধ। তাতে যাত্রা ভঙ্গ হয় বা অশুভ হয়।
১৮. ঘরে প্রবেশকৃত রোদে অর্ধেক শরীর রেখে বসা যাবে না। তাতে জ্বর হবে।
১৯. রাতে বাঁশ কাটা যাবে না।
২০. রাতে গাছের পাতা ছিঁড়া ও ফল তোলা নিষেধ।
২১. ঘর থেকে বের হয়ে বিধবা নারী চোখে পড়লে যাত্রা অশুভ হবে।
২২. ঘরের চৌকাঠে বসা, দারিদ্র্যের লক্ষণ।
২৩. মহিলাদের মাসিক অবস্থায় সবুজ কাপড় পরিধান করতে হবে। তার হাতের কিছু খাওয়া যাবে না।
২৪. বিধবা নারীকে সাদা কাপড় পরিধান করতে হবে।
২৫. ভাঙ্গা আয়না দিয়ে চেহারা দেখা যাবে না। তাতে চেহারা নষ্ট হয়ে যাবে।
২৬. ডান হাতের তালু চুলকালে টাকা আসবে। আর বাম হাতের তালু চুলকালে বিপদ আসবে।
২৭. নতুন কাপড় পরিধান করার পূর্বে আগুনে ছেঁকা দিয়ে পড়তে হবে।
২৮. নতুন কাপড় পরিধান করার পর পিছনে তাকাতে নাই।
২৯. বৃষ্টির সময় রোদ দেখা দিলে শিয়ালের বিয়ে হয়।
৩০. আশ্বিন মাসে নারী বিধবা হলে আর কোনো দিন তার বিবাহ হবে না।
৩১. খাবারের পর গা মোচড় দিলে খাবার কুকুরের পেটে চলে যায়।
৩২. রাতের বেলা কাউকে সুই-সূতা দিতে নাই।
৩৩. গেঞ্জি ও গামছা ছিঁড়ে গেলে সেলাই করতে নাই।
৩৪. খালি ঘরে সন্ধ্যার সময় বাতি দিতে হয়। নইলে ঘরে বিপদ আসে।
৩৫. গোসলের পর শরীরে তেল মাখার পূর্বে কোনো কিছু খেতে নেই।
৩৬. মহিলার পেটে বাচ্চা থাকলে কিছু কাটা বা পশুপাখি জবাই করা যাবে না।
৩৭. সরাসরি পাতিল থেকে খাবার খেলে পেট বড় হয়ে যাবে।
৩৮. বাড়ি থেকে বাহির হওয়ার সময় সামনে খালি কলস পড়লে বা কেউ খালি কলস নিয়ে সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে যাত্রা বন্ধ করে দিতে হয়। নতুবা ঐদিন যাত্রা শুভ হবে না।
৩৯. অনাবৃষ্টির সময় ব্যাঙের বিয়ে দিলে বৃষ্টি হয়।
৪০. রুমাল, ছাতা, হাতঘড়ি ইত্যাদি কাউকে ধার স্বরূপ দেয়া যাবে না।
৪১. হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে কপালে দুর্ভোগ আছে।
৪২. হাত থেকে প্লেট পড়ে গেলে মেহমান আসবে।
৪৩. নতুন স্ত্রীর কোনো ভালো কাজ করা শুভ লক্ষণ।
৪৪. হলুদ পাখি ডাকলে বাড়িতে ইষ্টিকুটুম (আত্মীয়) আসবে।
৪৫. কাঁচা মরিচ হাতে দিতে নাই।
৪৬. তিন রাস্তার মোড়ে বসতে নাই, তাতে বংশ উজাড় হওয়ার আশংকা থাকে।
৪৭. খাবারের সময় ঢেকুর আসলে বা মাথার তালুতে উঠে গেলে কেউ স্মরণ করছে বা তাকে গালি দিচ্ছে মনে করা।
৪৮. কাকের ডাককে বিপদের পূর্বাভাস মনে করা।
৪৯. শকুন ডাকলে গরু মারা যাবে।
৫০. পেঁচার ডাককে বিপদের কারণ মনে করা।
৫১. তিনজনের একসঙ্গে পথ চলা অকল্যাণকর মনে করা।
৫২. দুজনের কথার ফাঁকে টিকটিকির আওয়াজকে কথার সমর্থন মনে করা। কারণ টিকটিকি বলে, ঠিক! ঠিক!
৫৩. কারো মাথায় টোকা খেলে দ্বিতীয়বার টোকা দেওয়া আবশ্যক মনে করা। নতুবা মাথায় ব্যথা হবে বা শিং উঠবে।
৫৪. ভাত প্লেটে নেওয়ার সময় একবার নিতে নাই।
৫৫. নতুন জামাই শ্বশুরবাড়িতে বাজার না করা পর্যন্ত এক পদের খাবারই খাওয়াতে হয়।
৫৬. নতুন বউকে স্বামীর বাড়িতে প্রথম পর্যায়ে আড়াই দিন অবস্থান করতে হয়।
৫৭. পাতিলের মধ্যে খানা খেলে মেয়ে সন্তান জন্ম নেয়।
৫৮. পোঁড়া খাবার খেলে পানিতে ডোবার আশংকা থাকে।
৫৯. পিপড়া বা জল পোকা খেয়ে ফেললে শরীরে ঘা হয়।
৬০. শিশুর দাঁত উঠতে বিলম্ব হলে সাত ঘরের চাল উঠিয়ে তা রান্না করে কাককে খাওয়াতে হয় এবং নিজেকেও খাওয়াতে হয়।
৬১. সকাল বেলা ঘুম থেকে উঠে ঘর ঝাড়ু দেয়ার পূর্বে কাউকে কোনো কিছু দেয়া যাবে না।
৬২. রাতের বেলা ঝাড়ু দেওয়া বা আয়না দেখা অশুভ।
৬৩. দোকান খোলার পর প্রথম বিক্রি বাকিতে না করা এবং বিক্রিত পণ্য ফেরতও না নেওয়া। নইলে সারাদিনই বাকি যাবে বা ব্যবসা মন্দা যাবে।
৬৪. দাঁড়ী-পাল্লা বা মাপার জিনিস পায়ে লাগলে বা হাত থেকে নিচে পড়ে গেলে সালাম করতে হয়, না হলে লক্ষ্মী চলে যায়।
৬৫. শূকরের নাম মুখে নিলে ৪০ দিন মুখ নাপাক থাকে।
৬৬. রাতের বেলা কাউকে চুন ধার দিলে চুন না বলে ‘দই’ বলতে হয়।
৬৭. বাড়ি থেকে বের হয়ে রাস্তায় হোঁচট খেয়ে পড়ে গেলে যাত্রা অশুভ হবে।
৬৮. ফসলের জমি বা ফল গাছে বদ নজর না লাগার জন্য মাটির পাতিলে সাদা-কালো রং করে বা পুরাতন ঝাড়ু ঝুলিয়ে রাখতে হয়।
৬৯. বিনা অযুতে বড় পীর আবদুল কাদের জিলানী রহ.এর নাম নিলে শরীরের দুটি পশম পড়ে যায়।
৭০. নখ চুল কেটে মাটিতে এজন্য দাফন করতে হয় যে, কিয়ামতের দিন এগুলো খুঁজে বের করতে হবে।
৭২. মহিলাগণ হাতে বালা বা চুড়ি না পরলে স্বামীর অমঙ্গল হয়।
৭৩. স্ত্রীর নাকে নাকফুল পরা স্বামীর জন্য মঙ্গলজনক মনে করা।
৭৪. দা, কাচি বা ছুরি ডিঙ্গিয়ে গেলে সেলাম করতে হয়, নতুবা হাত-পা কেটে যাবে।
৭৫. গলায় কাটা বিঁধলে বিড়ালের পা ধরে মাপ চাইতে হয়।
৭৬. শুভ আর্থিক লেনদেনের সময় জোড় সংখ্যা রাখা যাবে না। বেজোড় সংখ্যা রাখতে হবে। যেমন, এক লক্ষ টাকা হলে তদস্থলে এক লক্ষ এক টাকা দিতে হবে। যেমন, দেনমোহর ধার্য্য করার সময় হয়ে থাকে।
৭৭. অনুপস্থিত ব্যক্তির আলোচনা চলাকালে সে উপস্থিত হলে তার হায়াত দীর্ঘ হয়।
৭৮. বাম চোখ কাঁপলে দুঃখ আসে।
৭৯. মৃত্যুমুখে পতিত মুমূর্ষু ব্যক্তির ব্যাপারে বলা, ‘মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে’।
৮০. স্বামীর নাম মুখে উচ্চারণ করা যাবে না। এতে বেয়াদবি বা অমঙ্গল হয়।
৮১. বাছুরের গলায় জুতার টুকরা ঝুলালে কারো বদনজর থেকে বাঁচা যায়।
৮২. কারো গায়ের উপর দিয়ে পা উঠিয়ে গেলে পুনরায় উপর দিয়ে যেতে হবে। নতুবা সে আর লম্বা হবে না।
৮৩. অল্প বয়সে মৃত্যুবরণ করলে ‘অকাল-মৃত্যু’ বলা।
৮৪. কারো কাছ থেকে এক লোকমা খাবার খাওয়া যাবে না, দুই লোকমা খেতে হবে। নতুবা পানিতে পড়ে মারা যাবে।
৮৫. পিপড়া খেয়ে ফেললে কিয়ামতের দিন শাস্তিস্বরূপ নাকের ছিদ্র দিয়ে সাতটা হাতি বের হবে।
৮৬. জীবনে কখনো দাড়ি না কাটলে পরকালে লাইলি-মজনুর বিয়েতে শরীক হতে পারবে।
৮৭. ভক্তি থাকলে পাথরেও মুক্তি মিলে।
৮৮. আহারের শুরু ও শেষ লবন দিয়ে করতে হয়।
৮৯. কারো সাথে রাগ বা অভিমান করে বলা, এমনটি না হলে কি মহাভারত অশুদ্ধ হয়ে যাবে!
৯০. কারো কোনো খারাপ ও ক্ষতিকর অবস্থার প্রতি ইঙ্গিত করে বলা, তোমাকে শনির দশায় পেয়েছে।
৯১. জালিমের অন্যায় ও জুলুমের ভয়াবহতা প্রকাশের জন্য বলা, এসব আল্লাহরও সহ্য হবে না।
৯২. বিয়ের পর একথা বলা, এখন বাচ্চা নিব না, কয়েক বছর পর বাচ্চা নিব।
৯৩. মৃত ব্যক্তির জন্য মাগফিরাতের দুআর ক্ষেত্রে বলা, ‘মরহুমের রূহের মাগফিরাত কামনা করছি’ বা বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।’
৯৪. বৈশাখ মাসে ছাতা নিয়ে বিলে গেলে ধানের অমঙ্গল হয়।
৯৫. কারো হাঁচি এলো মানে তাকে কেউ স্মরণ করছে।
৯৬. পৃথিবী ষাড়ের শিংয়ের উপর বিদ্যমান।
৯৭. কুরবানী দিতে অক্ষম ব্যক্তির হাঁস-মুরগী কুরবানী করা।
৯৮. পরীক্ষা দিতে যাওয়ার আগে ডিম খাওয়া যাবে না। তাহলে পরীক্ষায় ডিম (গোল্লা) পাবে।
১০০. সমস্যায় পড়লে কবরবাসীর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করো!
১০১. মসজিদ, অযু, আযান ও কবর যিয়ারতের সময় দুনিয়াবী কথা বললে চল্লিশ বছরের ইবাদত নষ্ট হয়ে যায়।
১০২. পৃথিবীতে ‘দুই লক্ষ চব্বিশ হাজার’ নবী আগমন করেছেন।
১০৩. আশুরার দিন কিয়ামত সংঘটিত হবে।
১০৪. পৃথিবীতে আল্লাহ তাআলা আঠারো হাজার মাখলুকাত সৃষ্টি করেছেন।
১০৫. মেরাজের রাতে নবীজির সাতাশ বছর সময় অতিবাহিত হয়েছিল।
১০৬. ভারী বস্তু উত্তোলন বা স্থানান্তর করার সময় ‘ইয়া আলী’ বলা।
১০৭. যাত্রা বা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আরম্ভ করার সময় ‘ইয়া গাউসুল আজম’ বলা।
১০৮. হযরত আবদুল কাদের জিলানী রহ. মায়ের গর্ভ থেকে বেরিয়ে বাঘের আকৃতি ধারণ করে অসদুদ্দেশ্যে আসা লোকের ঘাড় মটকে দেন।
১০৯. আলোচিত ‘ফাতেমার জারি’।
১১০. শায়খ আবদুল কাদের জিলানী রহ. বৃদ্ধা মহিলার ছেলের রূহসহ সেদিন কবজকৃত সকল রূহ ফিরিয়ে দেন।
১১১. মানুষ জাহান্নামের ভয়ে আল্লাহর ইবাদত করছে বলে রাবেয়া বসরী রহ. গ্লাস ভর্তি পানি নিয়ে জাহান্নামের আগুন নিভাতে যান।
১১২. আবদুল কাদের জিলানী রহ. নিজের শরীরের গোশত কেটে হযরত মূসা আ. এর মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে প্রেরণ করেন।
১১৩. হযরত উমর রাযি. যেদিন ইসলাম গ্রহণ করেন, সেদিন থেকে কা’বা শরীফে প্রকাশ্যে আযান দেয়া শুরু হয়।
১১৪. জানাযার নামাযের আগে মৃত ব্যক্তি ‘ভালো ছিল’ একথার স্বীকৃতি নেয়া।
১১৫. বিয়ের উকিলকে জন্মদাতা বাবার মতো মাহরাম মনে করা।
১১৬. ধর্মের বাপ/ভাই বানিয়ে তাদেরকে মাহরামের ন্যায় মনে করা।
১১৭. মৃতের বাড়িতে তিনদিন পর্যন্ত আগুন জ্বালানো নিষেধ।
১১৮. চাশতের নামায পড়া আরম্ভ করে কখনো ছেড়ে দিলে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।
১১৯. সন্তান মারা গেলে মা চল্লিশ দিন আছর থেকে মাগরিব পর্যন্ত কোনো পানাহার করতে পারবেন না।
১২০. মিনার তিনটি ‘জামরা’ তিন শয়তান।
১২১. মৃত ব্যক্তি নিজের কষ্টের সংবাদ না দিয়ে গেলে তার কবরে কোনো বৃক্ষ জন্মাবে না।
১২২. কবরের দিকে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করা ঠিক নয়। এতে আঙ্গুল পঁচে যাবে।
১২৩. স্বামীর নাম মুখে নিলে স্ত্রী তালাক হয়ে যায়।
১২৪. কুরবানির শরীক সংখ্যা বেজোড় হওয়া জরুরি।
১২৫. স্বামী মারা গেলে স্বামীর গোসলের সাথে স্ত্রীকেও গোসল দিতে হবে।
১২৬. রাতে সুঁই বিক্রি করা অশুভ।
১২৭. রাতে হলুদের নাম বলে তা বিক্রি করা যাবে না।
১২৮. সূফীবাদই প্রকৃত ইসলাম।
১২৯. ওজরের হালতে কোনো মাসআলা নেই।
১৩০. প্রবল ঝড় ও বৃষ্টি বন্ধের জন্য আযান দেওয়া।
১৩১. মৃতের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও শ্রদ্ধা নিবেদন।
১৩২. দিনের প্রথম উপার্জনকে চুমো দেওয়া এবং বুকে ও কপালে লাগানো।
১৩৩. গাড়ি স্টার্ট করার আগে গাড়ির স্টিয়ারিং ও হাতল ছুঁয়ে বুকে ও চোখে লাগানো।
১৩৪. শ্বশুর বাড়ি প্রবেশের আগে নববধূর পা ধোয়ানো।
১৩৫. তাওবা করলে বা করালে মৃত্যু এসে যায়।
১৩৬. কাফের মারা গেলে ‘ফী নারি জাহান্নামা’ বলতে হয়।
১৩৭. প্রথম সন্তান মারা গেলে পরের সন্তানের কান ফুটো করে দিতে হয়, তাতে সে দীর্ঘ হায়াত পায়।
১৩৮. ভাগিনাকে মারলে মৃত্যুর সময় মামার হাত কাঁপে।
১৩৯. ছোট বাচ্চাদের গলা বা শরীরে লোহা জাতীয় কিছু বেঁধে দিতে হয়, তাতে সে দুষ্টু জ্বিন-শয়তানের প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
১৪০. পরপর কয়েক সন্তান মারা যাওয়ার পর ছেলে হলে বড়শি পুড়ে তার কপালে দাগ দিতে হয়।
১৪১. কবর খননের সময় প্রথম কোপের মাটি নিশানা হিসেবে রেখে দেওয়া।
১৪২. ঢেকির উপর বসে আহার করলে বউ মারা যায়।
১৪৩. গালে হাত দিয়ে বসলে বউ মারা যায়।
১৪৪. যে নারীর নাসিকাগ্র ঘামে সে তার স্বামীকে বেশি ভালোবাসে।
১৪৫. ভাঙ্গা কুলায় লাথি মারলে জমির ফসল কমে যায়।
১৪৬. পুরুষের বুকে লোম থাকা স্ত্রীকে অধিক ভালোবাসার পরিচায়ক।
১৪৭. মাটিতে আঁকাআঁকি করলে বা কিছু লিখলে মেধা কমে যায়।
১৪৮. খাওয়ার সময় সালাম দেয়া-নেয়া যায় না।
১৪৯. ছেলের রাগ দমন করার জন্য কান ছিদ্র করা।
১৫০. আকিকার গোস্ত বাবা-মা খেতে পারে না।
১৫১. নতুন ঘর বা ব্যবসা শুরু করতে মিলাদ দিতে হয়।
১৫২. মৃত ব্যক্তির জন্য চল্লিশা, মৃত্যু বার্ষিকী না করলে মৃতের আত্মা কষ্ট পায়।
১৫৩. বিয়ের আকদ হওয়ার পর মুরব্বিদের দাঁড়িয়ে সালাম করতে হয়।
১৫৪. ঈদের রাতে ও শবে বরাতে মৃত আত্মীয়দের আত্মা ঘরে আসে।
১৫৫. মানুষের মন ভাঙ্গা ও মসজিদ ভাঙ্গা সমান।
১৫৬. তিন শুক্রবার ধারাবাহিক জুমআ না পড়লে স্ত্রী তালাক হয়ে যায়।
১৫৭. ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর বারবার সন্তান মারা গেলে পরবর্তী সন্তানের অরুচিকর নাম রাখতে হয়। এতে উক্ত সন্তান বেঁচে যায়।
১৫৮. বৃদ্ধ বয়সে হজ্ব করা উচিত, যুবক বয়সে হজ্ব করলে হজ্ব “রাখা” যায় না।
১৫৯. একটি দাড়িতে সত্তরজন ফিরিশতা থাকে।
১৬০. একটি ভাত তৈরিতে সত্তরজন ফিরিশতা লাগে।
১৬১. প্লেট চেটে খেলে কন্যা সন্তান হয়।
১৬২. ‘আনলাকী থার্টিন’ তথা ১৩ সংখ্যা অশুভ, আর ৭ শুভ।
১৬৩. রোযাদারের খাবারের কোনো হিসাব নেই।
১৬৪. কলা হাত দিয়ে ভেঙে ভেঙে খাওয়া সুন্নত।
১৬৫. প্রজাপতিকে পানি পান করালে মৃত ব্যক্তিকে পান করানো হয়।
১৬৬. বিদ্বানের কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়ে মূল্যবান।
১৬৭. যে ঘরে সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় সে ঘর চল্লিশ দিন নাপাক থাকে।
১৬৮. মুহাররম মাসে বিবাহ করা অশুভ।
১৬৯. মাগরিবের আযান দিলে দোকান ও ঘরে ‘সন্ধ্যার বাতি’ জ্বালাতে হয়।
১৭০. গোঁফ স্পর্শ করা পানি পান করা হারাম।
১৭১. মৃতের রূহ চল্লিশ দিন পর্যন্ত বাড়িতে আসা যাওয়া করে।
১৭২. আল্লাহ কোনো বান্দার দিকে ১০ বার রহমতের নজরে তাকালে সে নিয়মিত জামাতে নামায পড়তে পারে। আর ৪০ বার তাকালে হজ্ব করতে পারে। আর ৭০ বার তাকালে আল্লাহর রাস্তায় বের হতে পারে।
১৭৩. মুনাজাত শেষে শব্দ করে হাতে চুমু খেতে হয়।
১৭৪. বদ নযর থেকে হেফাযতের জন্য শিশুর কপালে টিপ দিতে হয়।
১৭৫. মন্দ নাম পরিবর্তন করলে আকীকা দিতে হয়।
১৭৬. হাঁটু খুলে গেলে অযু ভেঙ্গে যায়।
১৭৭. বেগানা নারীকে দেখলে পুনরায় অযু করতে হয়।
১৭৮. সুরমা তুর পর্বতের তাজাল্লী থেকে সৃষ্ট।
১৭৯. খাওয়ার পর প্লেট ধোয়া পানি পান করা সুন্নত।
১৮০. ধর্ম যার যার, উৎসব সবার।
১৮১. বিয়েতে কবুল বলার আগে ‘কালেমা’ পড়তে হয়।
১৮২. বিধবার অন্যত্র বিবাহ হলে সে পূর্বের স্বামীর সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হয়।
১৮৩. পায়ে মেহেদি ব্যবহার করা উচিত নয়।
১৮৪. হঠাৎ ভয় পেলে বুকে থুথু দিতে হয়।
১৮৫. গোসলের পর সাথে সাথো ফল খেতে হয় না।
১৮৬. আযান শুনলে মেয়েদের মাথায় কাপড় দিতে হয়।
১৮৭. খাবারের পর মিষ্টি খাওয়া সুন্নত।
১৮৮. গাছের ফল চুরি হলে গাছে আর ফল ধরে না বা ফল ভালো হয় না।
১৮৯. কুকুর কাউকে কামড় দিলে তার পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়।
১৯০. আযানের সময় কথা বললে ঈমান চলে যাওয়ার আশংকা আছে।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে যাবতীয় ভ্রান্ত আকীদা ও বিশ্বাস এবং সকল প্রকার কুসংস্কার থেকে হেফাজত করুন।