Home / Blog / আসুন আগে জেনে নিই হলি খেলার ইতিহাসটা

আসুন আগে জেনে নিই হলি খেলার ইতিহাসটা

আসুন আগে জেনে নিই হলি খেলার ইতিহাসটা —

হোলি হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের একটি অন্যতম উৎসব যা সাধারণত ‘হোলিকা’ নামে সুপরিচিত । চৈত্র মাসের শেষ পূর্ণিমাতে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বিদের হলি খেলা অনুষ্ঠিত হয় । একে দোল পূর্ণিমাও বলা হয়ে থাকে । এই উৎসবের ইতিহাসও পৌরনিক এবং চমকপ্রদ । যুগ যুগ ধরে হিন্দু সম্প্রদায় পালন এর আসছে হোলি উৎসব। এই হোলি উৎসবে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা নানা আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে পালন করে থাকে। পৌরনিক কাহিনীগুলোর দিকে ফিরে তাকালে এই হলি উৎসবকে ঘিরে দুইটি উল্লেখযোগ্য কাহিনী বের হয়ে আসে । একটি প্রহ্লাদ ও হোলিকার কাহিনী এবং অন্যটি রাধা-কৃষ্ণের কাহিনী । হোলি মূলত বসন্তের উৎসব হলেও হোলিকে রংয়ের উৎসবও বলা হয়ে থাকে ।

শুধু হোলি নয় এখন অনেকেই হিন্দু ও খ্রিষ্টান অনুষটান পালন করে থাকেন।

এবার, আসুন দেখি এ প্রসঙ্গে ইসলাম কি বলে ???

আমরা অনেক সময় মনের অজান্তে মারাত্মক গুনাহ করে ফেলি,
যা আমরা নিজেরা ও জানি না । যদিও
আগে কখনও দেখি নাই , কিন্তু বিগত কয়েক বছর
ধরে দেখি আমার অনেক নামধারী মুসলিম ভাই বোনরা হিন্দু
রীতি অনুযায়ী হলি খেলা পালন করছেন । যেটা ইসলামে সম্পূর্ণ
হারাম। কেউ গুনাহের কাজ করলে তাওবা করলে মহান আল্লাহ্
ক্ষমা করবেন বলে ওয়াদা করেছেন। কিন্তু কেউ জেনে শুনে গুনাহ
করলে কিংবা গুনাহের কাজের পক্ষে নিজের মতামত
দিয়ে তাকে জায়েজ করার চেষ্টা করলে তা হবে মহান আল্লাহ্র
হুকুমের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ ঘোষণার শামিল। এই
চেষ্টা তাকে তার অজানতেই ইসলাম থেকে বেরও
করে দিতে পারে।
আমাদের রাসুল(সা): বলেন “যে ব্যক্তি যে জাতির অনুকরণ করবে,
সে ব্যক্তি সেই জাতিরই একজন বলে গণ্য হবে” (আবু দাউদঃ ৪০৩১)
হয়ত আজ আপনি একটু একটু করে আগ্রহ নিয়ে হলি পালন করছেন,
কিন্তু এভাবে কি কখনো ভেবে দেখেছেন , আপনার
পরবর্তী প্রজন্মরা ঠিকই ভাববে বাপ দাদারা এইসব পালন
করেছে সুতরাং আমাদের পালন করলে কোন গুনাহ হবে না। যেমনটা আজকে আমরা অনেক বিদয়াত হারাম করতেছি বাপ দাদার দোহাই দিয়ে ।
কিন্তু এটাই সত্যি যে , এভাবেই একটা জাতি বিপথে যায়।
এই জন্য পবিত্র
কুরআনে স্বয়ং আল্লাহতায়লা নিজে মানুষকে বার বার
চ্যালেঞ্জ করেছেন যেন আমরা চিন্তা করি, বিবেক-
বুদ্ধি খাটাই, বাপ-দাদার অন্ধ অনুকরণ না করি।
আর তোমার যা সম্পর্কে জ্ঞান নেই তা অনুসরণ করবে না,
নিশ্চয়ই শ্রবণ, দৃষ্টি এবং হৃদয়—এই সবগুলোর
ব্যপারে জিজ্ঞাসা করা হবে। [সূরা ইসরা ১৭:৩৬] তাই এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়াতে আমরা হয়ত রঙ
তামাশা করে যেতে পারব কিন্তু পরকালের সেই অন্ততকালের
জীবনে তখন আমাদের ধরা খেতেই হবে। আমার এই আহ্বান আপনাকে সতর্ক করার জন্য তাই মনে রাখবেন আল্লাহ বলেন , অতঃপর তারা যদি আপনার কথায় সাড়া না দেয়, তবে জানবেন, তারা শুধু নিজের প্রবৃত্তির অনুসরণ করে। আল্লাহর হেদায়েতের পরিবর্তে যে ব্যক্তি নিজ প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, তার চাইতে অধিক পথভ্রষ্ট আর কে? নিশ্চয় আল্লাহ জালেম সম্প্রদায়কে পথ দেখান না। সূরা কাসাস – ৫০ । মহান আল্লাহ্
আমাদেরকে বুঝার ও মানার মানসিকতা দান করুন
এবং নবীজি(সঃ) এর দেখানো পথে চলার তাওফিক দান করুন। আমীন