Home / Blog / দুর্দান্ত মনস্তাত্ত্বিক কৌশলগুলো কী কী?

দুর্দান্ত মনস্তাত্ত্বিক কৌশলগুলো কী কী?

কিছুক্ষণ আগে আমি অবাক হয়েছি হেলেন ফিশার (Helen Fisher) এর পুরুষ এবং মহিলার মধ্যে যোগাযোগ(Helen Fisher (anthropologist) – Wikipedia) সম্পর্কে গবেষণা দেখে!!

যখন দু’জন মহিলা একে অপরের সাথে কথা বলেন, তখন :

একে “অ্যাঙ্করিং গেজ” (Anchoring Gaze) বলা হয়। মহিলারা একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে এবং চোখে চোখ রেখে কথা বলেন। হেলেন যেভাবে এটি ব্যাখ্যা করেছেন: এই বৈশিষ্ট্যটা হাজার হাজার বছর আগে থেকেই ছিলো, মহিলারা তাদের শিশুদের মুখোমুখি তাকিয়েই কথা বলতো , এভাবেই একে অপরকে শেখাতো, ঝগড়াঝাটি করলেও সামনা-সামনি দাঁড়িয়েই ঝগড়া করতো এবং আরও অনেক কিছু করতো মুখোমুখি হয়েই । এভাবেই মহিলারা একে অপরের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে কথা বলতেই সাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।

এক্ষেত্রে পুরুষদের কথা বলার ধরণ আবার আলাদা:

কথা বলার সময় পুরুষরা পাশাপাশি বসেন।যখন একজন অন্যজনের দিকে তাকান তখন অন্যজন আবার ভিন্ন দিকে তাকিয়ে থাকেন। এভাবে কথা বলতে পুরুষরা স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। হাজার হাজার বছর আগে আফ্রিকার ঘাসের জমিতে পুরুষরা এভাবেই পাশাপাশি বসে শিকারের পরিবেশ শনাক্ত করতেন।

কিন্তু সমস্যা বাঁধে এইখানে :

মেয়েটি যখন সরাসরি মুখোমুখি হয়ে কথা বলতে চাচ্ছে, তখন ছেলেটি স্বাচ্ছন্দ্যে তাকাতে পারছে না বরং অন্যদিকে চোখ সরিয়ে নিচ্ছে!!

কেননা, মেয়েরা মুখোমুখি তাকিয়ে কথা বলতে ভালবাসেন আর ছেলেরা পাশাপাশি বসে। আর দুইজনের ক্ষেত্রে এই ভিন্নতার কারণেই যত সমস্যা।

  1. তাই আপনি মেয়ে হয়ে কোনও ছেলের কাছ থেকে কিছু চাইলে : পাশাপাশি বসে কথা বলুন। আপনি আরও ভালো ফলাফল পাবেন।
  2. আর যদি আপনি ছেলে হয়ে কোনও মেয়ের কাছে কিছু চান : তাহলে সামনা-সামনি তাকিয়ে কথা বলুন। বেশি সুবিধা পাবেন।

চিত্রসূত্রঃ Google

কৃতজ্ঞতাঃ Robbi Smoot

ধন্যবাদ 🙂